The Ballpen
মোল্লাহাট উপজেলার মুক্তিযুদ্ধ - theballpen

মোল্লাহাট উপজেলার মুক্তিযুদ্ধ

23rd Dec 2022 | বাগেরহাট জেলা |

বাঙালীর স্বাধীনতা প্রীতির ঐতিহ্য  থেকে মোল্লাহাট বাসী নিঃসন্দেহে বাদ পরেনি। মোল্লাহাট বাসীও স্বাধীনতা আদায়ের জন্য যুগে যুগে অব্যদত রেখেছে মৃতুপণ মুক্তিসংগ্রাম। ১৯৭১ সালে তাই মোল্লাহাটের সর্বস্তরের মানুষ সস্তফূর্ত ভাবে বাংলাদেশে মৃক্তিসংগ্রাম ঝাপিয়ে পড়ে স্বাধীনতার লাল টুকটুকে সূর্য এনেছে সিনিয়া।

স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রতাক্ষ সহযোগীতাকারী বন্ধুদেশ ভারতের পশ্চিম বঙ্গে সেদিন প্রতিটি ট্রেনিং ক্যাম্পে মোল্লাহাটের যুব সমাজের ভীড় দেখে, বার বার পশ্চিম বঙ্গ বাসী সেদিন প্রশ্ন করতো “মোল্লাহাট একটা জেলা নাকি?”

স্বাধীন বাংলা বেতার থেকে অক্টোবরের শেষ সপ্তাতে প্রচার করা হলো “মোল্লাহাট থানার হাড়িদাহ (হাড়িদাহ) যুদ্ধে বীর  মুক্তিবাহীনির গ্রলিতে হানাদার বাহিনীর একজন ক্যাপটেন সহ ৫৩ জন খতম হয়েছে।





Related

বাগেরহাট কত সালে জেলা হয়?

১৯৮৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বাগেরহাট মহকুমা জেলায় উন্নীত হয়



Related

বাগেরহাট জেলা কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণের একটি উপকূলীয় জেলা বাগেরহাট। প্রাচীন সমতটের এই জনপদের সমৃদ্ধির ইতিহাস উপমহাদেশের বহু প্রাচীন জনপদের সমকালীন ও সমপর্যায়ের। বর্তমানে খুলনা বিভাগের অন্তর্গত বাগেরহাট শহরের পূর্ব নাম ছিল 'খলিফাতাবাদ'।



Related

বাগেরহাট জেলার বিখ্যাত খাবার

বাগেরহাটের ঐতিহ্যবাহী খাবারের কথা আসলেই সবার প্রথমে আসে চুই ঝালের কথা। চুই ঝালে গরুর মাংস কিংবা খাসির মাংস, একনামে বিখ্যাত! খুলনা যাবেন আর চুই ঝালের তরকারি খাবেন না তা একদম হবে না। চুই বাংলাদেশের একটি অপ্রচলিত মশলা জাতীয় ফসল।



Related

বাগেরহাট কিসের জন্য বিখ্যাত

বিখ্যাত বাগেরহাট দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের এই ঐতিহাসিক জেলাটি মূলত উৎপাদনে এগিয়ে থাকা চিংড়ি ও সুপারির জন্য বিখ্যাত। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ দর্শনীয় স্থান ষাট গম্বুজ মসজিদ এই জেলায় অবস্থিত। এছাড়া দেশে চিংড়ি এবং সুপারি উৎপাদনে সবার শীর্ষে এই জেলা।



Related

বাগেরহাট জেলার সেক্টর কমান্ডার কে ছিলেন?

পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাগেরহাট প্রথম প্রবেশ করে ২৪ এপ্রিল ১৯৭১ শনিবার। মুক্তিযুদ্বের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানীর নেতৃত্বে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।